বাংলার নবজাগরণপ্রিলিমস + মেইনস
রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২–১৮৩৩)
- ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা (১৮২৮) → একেশ্বরবাদ, মূর্তিপূজা বিরোধী
- সতীদাহ প্রথা বিলোপ (১৮২৯) → লর্ড বেন্টিঙ্কের সহায়তায় আইন পাস
- সম্বাদ কৌমুদী, মিরাত-উল-আখবার পত্রিকা প্রকাশ
- পাশ্চাত্য শিক্ষার পৃষ্ঠপোষক; হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা
- “ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ” — রবীন্দ্রনাথের মূল্যায়ন
ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন
- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও → হিন্দু কলেজের শিক্ষক (১৮২৬–৩১)
- যুক্তিবাদ, স্বাধীন চিন্তা, সামাজিক সংস্কারের প্রচার
- শিষ্য → কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০–১৮৯১)
- বিধবা বিবাহ আইন পাস (১৮৫৬) → দীর্ঘ আন্দোলনের ফল
- বহুবিবাহ বিরোধী আন্দোলন
- নারীশিক্ষা প্রসার → মেট্রোপলিটান ইন্সটিটিউশন, বেথুন স্কুল
- বাংলা গদ্যের জনক; বর্ণপরিচয় রচনা
রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ
- রামকৃষ্ণ পরমহংস → দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি; সর্বধর্ম সমন্বয়
- স্বামী বিবেকানন্দ → শিকাগো ধর্ম সম্মেলন (১৮৯৩); রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা (১৮৯৭)
- “উঠুন, জাগুন এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থামবেন না”
কেশবচন্দ্র সেন ও সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ
- ব্রাহ্মসমাজ বিভাজন → আদি ব্রাহ্মসমাজ (দেবেন্দ্রনাথ) + ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ (কেশব)
- সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ (১৮৭৮) → শিবনাথ শাস্ত্রী প্রমুখ
বাংলার নবজাগরণ → ভারতের প্রথম সামাজিক-বৌদ্ধিক সংস্কার আন্দোলন; পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি
বাংলার কৃষক ও জনজাতি বিদ্রোহপ্রিলিমস + মেইনস
- সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ (১৭৬৩–১৮০০) → বাংলা ও বিহারে; ব্রিটিশ কর ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে; বঙ্কিমচন্দ্রের “আনন্দমঠ”-এ চিত্রিত
- চুয়াড় বিদ্রোহ (১৭৯৮–৯৯) → মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, মানভূম; জমি থেকে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে; দুর্জন সিং নেতৃত্ব দেন
- পাইক বিদ্রোহ (১৮১৭) → উড়িষ্যায়; বক্সি জগবন্ধু নেতৃত্ব; প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে কেউ মনে করেন
- ওয়াহাবি আন্দোলন → সৈয়দ আহমদ বেরেলভির আদর্শ; তিতুমীর (মীর নিসার আলি) → বারাসাতে বাঁশের কেল্লা (১৮৩১); ব্রিটিশ সেনায় নিহত
- ফরাজি আন্দোলন → হাজি শরিয়তউল্লাহ; দুদু মিয়া; পূর্ববঙ্গে জমিদার-নীলকর বিরোধী
- নীল বিদ্রোহ (১৮৫৯–৬০) → নীলচাষিরা জোর করে নীল চাষ করতে বাধ্য হত; মথুরানাথ মৈত্র, দিগম্বর বিশ্বাস, বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস নেতৃত্ব; দীনবন্ধু মিত্রের “নীলদর্পণ” নাটক; জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে
- সাঁওতাল বিদ্রোহ / হুল (১৮৫৫–৫৬) → সিধু ও কানু মুর্মু নেতৃত্ব দেন; ভাগলপুর, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম; জমিদার, মহাজন, ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে; ৩০ হাজার সাঁওতাল নিহত
- মুন্ডা বিদ্রোহ / উলগুলান (১৮৯৯–১৯০০) → বিরসা মুন্ডা নেতৃত্ব দেন; রাঁচি, সিংভূম; “ধরতি আবা” উপাধি; ব্রিটিশ বন্দী হয়ে মৃত্যু
বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) → লর্ড কার্জন পশ্চিমবঙ্গ + পূর্ববঙ্গ ও আসাম তৈরি করেন → স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলন → বঙ্গভঙ্গ রদ হয় ১৯১১ সালে (দিল্লি দরবারে)
বাংলার বিপ্লবী আন্দোলনপ্রিলিমস + মেইনস
- অনুশীলন সমিতি (১৯০২) → সতীশচন্দ্র বসু ও প্রমথনাথ মিত্র প্রতিষ্ঠা করেন; ঢাকা শাখা — পুলিন দাস
- যুগান্তর দল (১৯০৬) → বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ও ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত; “যুগান্তর” পত্রিকা
- ক্ষুদিরাম বসু (১৮৮৯–১৯০৮) → কিংসফোর্ড হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা (মুজাফফরপুর বোমা); ফাঁসি → মাত্র ১৮ বছর বয়সে
- আলিপুর বোমা মামলা (১৯০৮) → অরবিন্দ ঘোষ, বারীন্দ্র ঘোষসহ অনেকে গ্রেফতার
- বিনয়-বাদল-দীনেশ (১৯৩০) → রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ; কর্নেল সিম্পসনকে গুলি; বিনয় ও বাদল আত্মহত্যা; দীনেশের ফাঁসি
- চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুঠ (১৮ এপ্রিল ১৯৩০) → মাস্টারদা সূর্য সেন নেতৃত্ব দেন; প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও কল্পনা দত্ত সহযোদ্ধা; ১৯৩৩ সালে সূর্য সেনকে ফাঁসি
- নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু → ১৯৩৮ ও ১৯৩৯ কংগ্রেস সভাপতি; “ফরওয়ার্ড ব্লক” গঠন (১৯৩৯); ১৯৪১ সালে পালিয়ে আফগানিস্তান হয়ে জার্মানি; আজাদ হিন্দ ফৌজ (INA) পুনর্গঠন (১৯৪৩, সিঙ্গাপুর); “দিল্লি চলো”, “জয় হিন্দ”
রাসবিহারী বসু → টোকিওতে আজাদ হিন্দ ফৌজ প্রতিষ্ঠা করেন; পরে সুভাষচন্দ্র দায়িত্ব নেন